Previous
Next

সর্বশেষ

নাসিরনগরে নির্বাচনী মাঠে জামায়াত: মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম

নাসিরনগরে নির্বাচনী মাঠে জামায়াত: মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও জেলা মজলিসে শূরার সদস্য অধ্যাপক এ. কে. এম. আমিনুল ইসলাম মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর ২০২৫) দুপুর ১২টায় নাসিরনগরে দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অধ্যাপক এ. কে. এম. আমিনুল ইসলাম বলেন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত নাসিরনগর গড়ে তোলার লক্ষ্যেই তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, নাসিরনগরের উন্নয়ন, শান্তি ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান অঙ্গীকার।
তিনি আরও বলেন, এই আসনে পূর্বের জনপ্রতিনিধিরা জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে মৌলিক পরিবর্তন এনে নাসিরনগরকে একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবি জানান।
এ সময় উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির সায়েদ আলী, উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম (খোকন), যুব বিভাগের সভাপতি কারী লুৎফর রহমান রমজান, অফিস সম্পাদক মুরাদ হোসেন চকদারসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাসিরনগর উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। দলীয় নেতারা জানান, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে তারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন এবং এই আসনে পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে লড়বেন ওমরাও খান

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে লড়বেন ওমরাও খান

 নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রবীণ রাজনীতিক ও জনপ্রতিনিধি মো. ওমরাও খান। মঙ্গলবার বিকেলে নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নে তিনি এই ঘোষণা দেন।

ঘোষণাকালে মো. ওমরাও খান বলেন, ‘দীর্ঘদিন রাজনীতি করেছি মানুষের অধিকার ও এলাকার উন্নয়নের জন্য। দলীয় সীমাবদ্ধতার বাইরে গিয়ে নাসিরনগরের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও চাওয়া-পাওয়ার জায়গা থেকেই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
মো. ওমরাও খান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ শাখার সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি একজন সক্রিয় ও সাহসী ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিতি পান। ওই সময় রাজপথের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে একাধিকবার গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হন বলেও দাবি করেন তাঁর ঘনিষ্ঠরা।
পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নাসিরনগর উপজেলা শাখার দুইবারের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলীয় রাজনীতির বাইরে অবস্থান নিয়ে তিনি সরাসরি গণমানুষের রাজনীতিতে মনোনিবেশ করেন বলে জানান।
স্থানীয় সরকার পর্যায়ে মো. ওমরাও খানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি নাসিরনগর উপজেলার ৩ নম্বর কুন্ডা ইউনিয়নের টানা ২৫ বছর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর সময়ে ইউনিয়নে রাস্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে বলে স্থানীয়রা জানান। উন্নয়ন ও সুশাসনে ভূমিকার জন্য তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সেরা চেয়ারম্যান হিসেবে একাধিকবার নির্বাচিত হন এবং মোট আটটি স্বর্ণপদক অর্জন করেন।
মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান মো. ওমরাও খান বলেন, ‘আমার পরিবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। সেই চেতনা থেকেই দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, ন্যায়বিচার ও মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সংসদে কথা বলতে চাই।’
নাসিরনগর উপজেলা আ.লীগ সভাপতি অসিম কুমার পালের মৃত্যু

নাসিরনগর উপজেলা আ.লীগ সভাপতি অসিম কুমার পালের মৃত্যু

 নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তি অসিম কুমার পাল (৭৩) আর নেই।

আজ রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার ফান্দাউক ইউনিয়নের ফান্দাউক গ্রামে নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

দলীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, অসিম কুমার পাল দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। গত কয়েক দিন ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বাড়িতেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। সন্ধ্যায় অবস্থার আরও অবনতি হলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি এক সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী, সহকর্মী ও আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন।

আজ রাতেই তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে উপজেলা আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীর পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেন, অসিম কুমার পাল ছিলেন একজন অভিজ্ঞ, শান্ত স্বভাবের ও ত্যাগী রাজনৈতিক নেতা। দীর্ঘদিন তিনি দল সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং এলাকায় একজন গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

শোক প্রকাশ করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা বলেন, তাঁর মৃত্যুতে দল একজন অভিভাবকতুল্য নেতাকে হারাল। তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।


পরীক্ষায় পাসের বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের সাথে যৌন হয়রানির অভিযোগ, উত্তাল মাদ্রাসা।

পরীক্ষায় পাসের বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের সাথে যৌন হয়রানির অভিযোগ, উত্তাল মাদ্রাসা।

প্রথম ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিবেদক

নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করা ও বেশি নম্বর দেওয়ার প্রলোভনে একাধিক ছাত্রীকে যৌন সম্পর্কে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের একটি মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে। অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা মানববন্ধন করেছেন।


সোমবার (১৫ ডিসেম্ভর) দুপুরে নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের খান্দুরা ইসলাময়িা আলিয়া মাদ্রাসার সামনে নাসিরনগর-হবিগঞ্জ সড়কে এ মানববন্ধ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। 
অভিযুক্ত ওই সুপারের নাম মো. জহিরুল ইসলাম। তিনি মাদ্রাসার আরবি বিষয়ের শিক্ষক ও দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনী পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার কথা বলে শত শত নারী শিক্ষার্থীদের ফাঁদে ফেলে যৌন সম্পর্ক গড়ে তুলতে বাধ্য করা হতো। এমনকি যারা এসব ফাঁদ এড়িয়ে গেছে তাদের বার বার পরীক্ষায় ফেল করানো হয়েছে। এসব ঘটনায় ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এরই মধ্যে মাদ্রাসার প্রধানের বিভিন্ন অনিয়ম ও শিক্ষার্থীসহ এলাকার প্রবাসীদের স্ত্রীদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে যৌন নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। 
মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুবর্না আক্তার অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনী পরীক্ষায় আমাদের উত্তীর্ণ করে বেশি নম্বর দেওয়ার কথা বলে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব দিতো। 


একই শ্রেণির শিক্ষার্থী সাকিবা আক্তার বলেন, হুজুর আমাদের শরীরে হাত দেয়। নির্বাচনী পরীক্ষা না দিয়েই  আমাদের দাখিল পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিবেন বলে কুপ্রস্তাব দিত। বিনিময়ে আমরা হুজুরের সাথে বিভিন্ন হোটেলে যেতে হবে।
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানজিলা আক্তার বলেন, হুজুর যা করছে সেটা বলার মতো ভাষা আমাদের নেই। আমরা এখন খুবই আতঙ্কিত।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদ্রাসার নারী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এলাকার প্রবাসীদের স্ত্রীদের সঙ্গেও অনৈতিক সম্পর্কের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
মানববন্ধনে শিক্ষকরা অভিযোগ করে বলেন, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের কোনো হিসাব নেই। ভর্তি পরীক্ষা, বেতদন, রেজিসেস্ট্রশন, ফরম ফিলাপ, প্রবেশপত্রসহ বিভিন্ন খাতে প্রায় ৬ লাখ ১৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি টিউশন ফি, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গরীব তহবিলের টাকাও ভোগ করা হয়েছে বলে মানববন্ধনে দাবি করনে শিক্ষকরা।
তাঁরা আরো বলেন, নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজে স্বাক্ষর জালিয়াতি, শিক্ষকদের মূল সার্টিফিকেট জিম্মি করে রাখা ও নষ্ট করার ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবাদ করলেই গালিগালাজ ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাদের।
যা পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে অনিয়মের সকল টাকা ফেরত ও সার্টিফিকেট নিজ দায়িত্বে তুলে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন মাদ্রাসা সুপার মো. জহিরুল ইসলাম।
ইউপি সদস্য ও পরিচালনা কমিটির অভিভাবক সদস্য রুবেল মিয়া বলেন, সুপার জহিরুল ইসলাম নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না। উপজেলায় কাজ আছে বলে তিনি হবিগঞ্জে নিজ বাসায় থাকেন, পরে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। একবার উপজেলা শিক্ষা অফিসার পরিদর্শনে এসে তাকে না পেয়ে হাজিরা খাতায় লাল দাগ দিয়ে যান। তিনি আরো বলেন সুপারের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড, নির্যাতন ও দুর্নীতির হাত থেকে বাঁচতে শিক্ষক-কর্মচারীরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।
বাংলা বিষয়ের শিক্ষক নিলুফা আক্তার বলেন, বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীরা আমার কাছে এসে অভিযোগ দিতো হুজুরের খারাপ প্রস্তাবের বিষয়ে। এসব বিষয়ে কথা বলায় আমাদের মূল সার্টিফিকেট নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। 
শিক্ষক মো. মহিবুল ইসলাম  বলেন, হুজুরের অনিয়ম নিয়ে কথা বলায় আমাকে একাধিকবার মারধর করা হয়েছে। এসব কথা আর মুখে বলতে চাইনা।
মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি সৈয়দ সোহেল আবদাল বলেন, হুজুরের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ আমরা ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে লিখিত ও মৌখিকভাবে শুনেছি। তাঁর বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জীবন ভট্টাচার্য বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনা নাসরিন বলেন, শিক্ষকরা একটি অভিযোগ দিয়েছিলো। পর তারাই অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয়। ছাত্রীদের যৌন হয়রানির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ভোট ১২ ফেব্রুয়ারি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ভোট ১২ ফেব্রুয়ারি

 প্রথম ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনে মনোয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।

রিটানিং অফিসার কর্তৃক মনোয়নপত্র বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপত্তি জানানোর আবেদনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ জানুয়ারি। ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপত্তি নিষ্পত্তি হবে। 

তপশিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি। ঘোষিত তপশিলে বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণার সময়সীমা ২২ জানুয়ারি থেকে ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত চলবে। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।


নাসিরনগরে বিস্ফোরক মামলায় আ.লীগের নেতা গ্রেপ্তার

নাসিরনগরে বিস্ফোরক মামলায় আ.লীগের নেতা গ্রেপ্তার

প্রথম ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডেস্ক-

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলায় ধরমন্ডল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রুমান মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাসিরনগর থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২.৩০ মিনিটে উপজেলার ধরমন্ডল বাজার থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।আটক রুমান মিয়া ধরমন্ডল ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের শামসুদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে নাসিরনগরে সংঘটিত সহিংস ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহারের অভিযোগে থানায় গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর মামলা দায়ের হয়। ওই মামলার ৬৬ নম্বর আসামি ছিলেন রুমান। দীর্ঘদিন ধরে সে আত্মগোপনে থাকলেও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 
এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, রুমান ধরমন্ডল ইউনিয়ন আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। রুমানকে গ্রেপ্তার করায় ধরমন্ডল ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে এবং বাজারে সকাল বেলায় মানুষ মিষ্টি মুখ করেছে।